বিদেশে পড়াশোনা, চাকরি বা ভ্রমণ, যেকোনো কারণেই পাসপোর্ট দরকার। দেশে এখন ইলেকট্রনিক চিপযুক্ত ই-পাসপোর্ট দেওয়া হয়, আর এর আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয় অনলাইনে।
অনলাইনে আবেদন
ই-পাসপোর্টের সরকারি ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে ফরম পূরণ করতে হয়। এখানে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী নাম, জন্মতারিখ ও ঠিকানা দিতে হয়, তাই তথ্যগুলো মিলিয়ে নিন।
ফি ও মেয়াদ
পাসপোর্টের মেয়াদ (৫ বা ১০ বছর), পৃষ্ঠাসংখ্যা এবং সাধারণ নাকি জরুরি ডেলিভারি, তার ওপর ফি নির্ভর করে। ফি অনলাইনে বা ব্যাংকে জমা দেওয়া যায়।
নির্ধারিত দিনে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও চোখের মণির ছবি দিতে হয়। এরপর মোবাইলে বার্তা এলে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যায়। কোনো দালালের সাহায্য ছাড়াই পুরো কাজ নিজে করা সম্ভব।